সোমবার, ৮ আগস্ট, ২০১১

>> ই-মেইল আইডি হ্যাকিং হয় যেভাবে!

 ই-মেইল আইডি হ্যাকিং হয় যেভাবে!
Writter: Md. Rakibul Islam


ইদানিং প্রায়ই শোনা যাচ্ছে অনেকের ইমেইল আইডি, ফেসবুক আইডি হ্যাকিং হচ্ছে। ইমেইল আইডি সাধারনত হ্যাকিং হয় দুই ভাবে। ১.কমন পাসওয়ার্ড ব্যবহারের কারণে। ২.নিরাপত্তা প্রশ্নের মাধ্যমে। অনেকেই তাদের ইমেইল, ফেসবুক আইডির পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন নিজের নাম, নামের প্রথম অংশ, নামের শেষ অংশ, নামের শেষে রোল নাম্বার, বছর, ঘনিষ্ট বন্ধুর নাম, মোবাইল নাম্বার, abcdef, ১২৩৪৫৬ ইত্যাদি। এসব পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলে ইমেইল আইডি হ্যাকিং হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
ইমেইল আইডি সবচেয়ে বেশি হ্যাকিং হয় নিরাপত্তা প্রশ্নের মাধ্যমে। ইমেইল আইডি তে কিছু কমন নিরাপত্তা প্রশ্ন থাকে। যেমন আপনার প্রিয় লেখকের নাম, আপনার প্রথম স্কুলের নাম, আপনার প্রথম ফোন নম্বর ইত্যাদি। এগুলোর উত্তরও সাধারণত কমন হয়। যেমন আপনার প্রথম স্কুলের নাম, আপনার প্রথম ফোন নম্বর, আপনার প্রিয় লেখকের নাম ইত্যাদি প্রশ্নের উত্তর অনেকেরই জানা থাকে। তাছাড়া দু-চার জন কমন লেখকের নাম সবাই ব্যবহার করে।

প্রতিকারঃ
১.নিরাপত্তা প্রশ্নের উত্তরে এমন উত্তর লিখবেন যাতে কেউ ধারনা করতে না পারে। যেমন আপনার প্রিয় লেখকের নাম এর উত্তরে অন্য কোন নাম লিখতে পারেন। নামটি যত বড় হয় ততই ভালো।
২.পাসওয়ার্ড নির্বাচনের ক্ষেত্রেও বড় পাসওয়ার্ড লিখবেন। এবং তাতে বর্ণ, সংখ্যা, ডট, কমা, ডলার সাইন ইত্যাদির মিশ্রণ থাকলে ভালো হয়।
৩.যেসব কম্পিউটার একাধিক মানুষ ব্যবহার করে সেসব কম্পিউটারে লগইন করার সময় ব্রাউজার থেকে আপনার পাসওয়ার্ড সেভ করতে চান কি-না বার্তা আসলে No তে ক্লিক করবেন এবং কাজ শেষে করে লগআউট করতে ভুলবেন না।
৪.ইমেইল ঠিকানায়, ফেসবুক একাউন্টে অলটারনেটিভ ইমেইল নামে একটি অপশন থাকে সেখানে আপনার অন্য একটি ইমেইল আইডি দিন। তাহলে কেউ যদি আপনার ইমেইল আইডি বা ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক করে তখন সাথে সাথে আপনার অন্য ইমেইলে মেসেজ চলে আসবে। তখন আপনি আপনার একাউন্ট আবার পুনরুদ্ধার করতে পারবেন। তবে খেয়াল রাখবেন যাতে দুটি ইমেইল আইডির পাসওয়ার্ড এবং নিরাপত্তা প্রশ্নের উত্তর একই না হয়।

>> Customise Facebook Chat

 Customise Facebook Chat
ফেসবুকের কাস্টমাইজ চ্যাট বক্স
Wrtitter: Md. Rakibul  Islam
Email:bdrakib2@yahoo.com

ফেসবুকে আপনার বন্ধুদের তালিকা হয়তো অনেক লম্বা। আপনি যখন ফেসবুকে লগইন করেন, তখন হয়তো অনেকেই চ্যাট করার জন্য বার্তা পাঠায়। কিন্তু আপনি যদি ব্যস্ত থাকেন বা নির্দিষ্ট কারও সঙ্গে শুধু চ্যাট করতে চান, তাহলে অনেক সময় হয়ে ওঠে না। কারণ আপনার কিছু বন্ধু হয়তো বারবার শুধু আপনাকে বার্তা পাঠায়, তখন আপনি অফলাইনেও যেতে পারছেন না; কারণ কারও সঙ্গে এখন আপনার চ্যাট করা দরকার। এ ক্ষেত্রে আপনি আপনার প্রিয় বন্ধুদের নিয়ে আলাদা চ্যাট বক্স তৈরি করতে পারেন। আলাদা চ্যাট বক্স তৈরি করার জন্য প্রথমে ফেসবুকে লগইন করে চ্যাট বক্সে ক্লিক করে তার পর Friend Lists-এ ক্লিক করুন। এখন Create a new list : বক্সে কোনো নাম লিখে (যেমন, Bestfriends, Classmates ইত্যাদি) কি-বোর্ড থেকে Enter চাপুন। এখন আবার চ্যাট বক্সে ক্লিক করে ওই নামের ওপর মাউস নিলে edit লেখা আসবে এবং সেখানে ক্লিক করলে নতুন একটি পেজ আসবে। সেখানে আপনার সব বন্ধুর তালিকা আসবে এবং সেখান থেকে আপনার পছন্দমতো বন্ধুদের নাম নির্বাচন করে Save Lists-এ ক্লিক করুন। এখন আবার চ্যাট বক্সে ক্লিক করলে সবার ওপরে দেখতে পাবেন আপনি যে নামে নতুন চ্যাট বক্সটি খুলেছেন সেই নাম এবং তার নিচে Others Friends নামে আপনার আগের চ্যাট বক্সটি। এখন চ্যাট বক্সের ডান পাশে মাউস নিলে Go offline লেখা আসবে এবং সেখানে ক্লিক করলে আপনার আগের চ্যাট বক্সটি অফলাইনে চলে যাবে। তখন শুধু নতুন চ্যাট বক্সের যে বন্ধুরা অনলাইনে আছেন, তাঁদের তালিকা দেখাবে। এভাবে আপনি একাধিক চ্যাট বক্স তৈরি করতে পারবেন এবং যেকোনো সময় যেকোনো চ্যাট বক্স অনলাইন অফলাইনে নিয়ে যেতে পারবেন। চ্যাট বক্সগুলোর ওপর মাউস রেখে edit-এ ক্লিক করে আপনার ইচ্ছামতো চ্যাট বক্সগুলো এডিটও করতে পারবেন। 
www.Rakibtips.blogspot.com 

>> কম্পিউটার পরিষ্কার করতে এবং গতি বাড়াতে

কম্পিউটার পরিষ্কার করতে এবং গতি বাড়াতে
Writter: Md Rakibul Islam 

আপনার কম্পিউটার থেকে আরও ভালো কাজ পেতে আপনাকে কিছু বিষয়ে নজর দিতে হবে। তার মধ্যে প্রথমেই আপনাকে নজর দিতে হবে নিয়মিত যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে। এই যত্ন বা পরিষ্কারের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় আপনাকে খেয়াল করতে হবে। কম্পিউটার অথবা কম্পিউটারের কোনো অংশ পরিষ্কার করার সময় অবশ্যই কম্পিউটার বন্ধ করে নিতে হবে। কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশ পরিষ্কারের সময় কখনোই কোনো স্প্রে বা কোনো তরল পদার্থ ব্যবহার করা যাবে না। যদি দরকার হয়, তবে তা কোনো কাপড়ে লাগিয়ে ব্যবহার করতে হবে।ক্যাসিংয়ের বাইরের এবং কি-বোর্ডের ময়লা, ধুলাবালি পরিষ্কার করার জন্য ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করা যাবে, কিন্তু একে মাদারবোর্ড অথবা ভেতরে পরিষ্কারের জন্য ব্যবহার করা যাবে না। কারণ এতে স্থির বিদ্যুৎ তৈরি হয়ে মাদারবোর্ড নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তবে বহনযোগ্য ব্যাটারিচালিত ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করা যাবে।প্রসেসর, র্যাম পরিষ্কার করার সময় অধিকতর সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। তাড়াহুড়া করা যাবে না।
গতি বাড়াতে: প্রথমে start বাটনে ক্লিক করে run অপশনে গিয়ে recent টাইপ করে ok-তে ক্লিক করুন। যে উইন্ডোটি আসবে সেখান থেকে সবকিছকে মুছে ফেলুন। এরপর একে temp, %temp%, local settings টাইপ করে যে যে উইন্ডো আসবে তা থেকে সব delete করে ফেলুন।এরপর ডেস্কটপে My computer-এ মাউসের ডান বাটনে ক্লিক করুন। ক্লিক করে Mange-এ ক্লিক করে বাঁ পাশে অবস্থিত Disk Defragmenter-এ ক্লিক করুন। করলেই দেখবেন ডান পাশে Defragment বাটন আছে, সেখানে ক্লিক করলেই Defragment শুরু হয়ে যাবে। এরপর একে একে সব ড্রাইভকে Defragment করুন। এটা করার উদ্দেশ্য হলো, সিস্টেমের সব ফাইলকে গুছিয়ে নেওয়া, এতে প্রসেসর দ্রুত কাজ করতে পারে। start বাটনে ক্লিক করে run অপশনে গিয়ে cmd ক্লিক করুন। করলে একটা কালো উইন্ডো আসবে। যেখানে কারসর নড়ছে, সেখানে টাইপ করুন cd.. । করে Enter চাপুন। এবার আবার টাইপ করুন cd.. এবং এন্টার করুন। এবার প্রথমেই C টাইপ করে এন্টার করুন। এবার dir লিখে এন্টার করুন। একে একে আপনার কম্পিউটারে যে কয়টি ড্রাইভ আছে সবগুলো এভাবে করুন। এবার tree টাইপ করে অপেক্ষা করুন। শেষে exit টাইপ করে Enter চেপে বের হয়ে আসুন। এবার আপনার কম্পিউটারকে পুনরায় চালু করুন। একটু হলেও গতি বাড়বে। 

Give Your Comments....

facebook Photo